কাল ঝাড়গ্রামে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রশাসনিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর** মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সফরকে ঘিরে ঝাড়গ্রামে কড়া নিরাপত্তা **   না ডাকলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পুলিশ যাবে না, বললেন পার্থ **   হরিয়ানায় মোট ভোট পড়ল 72 শতাংশ,বেসরকারি মতে মহারাষ্ট্রে ভোট পড়েছে ৬২ শতাংশ ** মহারাষ্ট্র ও হরিয়ানার বিধানসভার ভোটগ্রহণ সম্পন্ন    খাগড়াগড়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল এনআইএ **    হুদহুদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ ৭০ হাজার কোটি টাকায় পৌঁছতে পারে চন্দ্রবাবু নাইডু **   পিকে পোস্টার: নগ্ন আমিরের রেডিও হাতে সামনে আসবেন অনুষ্কা **   এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে জয় ছিনিয়ে নিল চেন্নাই এফসির ** ক্যারিবিয়ানদের ২৬৪ রানের টার্গেট দিল ভারত **   
কালো টাকা তিনজনের নাম জানাল কেন্দ্র, তালিকায় ডাবর কর্তা
সুইস ব্যাঙ্কে কালো টাকা জমিয়ে রেখেছেন, এমন তিনজনের নাম সুপ্রিম কোর্টকে জানাল কেন্দ্রীয় সরকার। এঁরা হলেন প্রদীপ বর্মন, পঙ্কজ চিমনলাল লোধিয়া এবং রাধা এস টিম্বলো। অদূর ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি নাম জানানো হবে বলে দাবি করেছে কেন্দ্র। সুইস ব্যাঙ্কে ভারতের বহু শিল্পপতি, রাজনীতিবিদ, অভিনেতা কালো টাকা জমিয়ে রেখেছেন বলে বারবার অভিযোগ উঠেছে। ইউপিএ সরকারের আমলে ২০০৯ সালে এ বিষয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। ক্ষমতায় আসার আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বলেছিলেন, কালো টাকা নিয়ে তদন্ত জোরদার করবে তাঁর সরকার। সেই সূত্র ধরে এ দিন আদালতে হলফনামা দিয়ে ওই তিনজনের নাম প্রকাশ করল কেন্দ্র। প্রদীপ বর্মন হলেন ডাবর ইন্ডিয়ার এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর। ওষুধ, প্রসাধনী দ্রব্য, আয়ুর্বেদিক পণ্য ইত্যাদি তৈরিতে অগ্রগণ্য ডাবর। এমন একটি সংস্থার কর্তার নাম জড়িয়ে পড়ায় স্বাভাবিকভাবে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে শিল্প মহলে। যদিও ডাবরের তরফে গোটা বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে। পঙ্কজ চিমনলাল লোধিয়া হলেন রাজকোটের শ্রীজি ট্রেডিং কোম্পানির প্রধান কর্তা। ভারত ছাড়াও বিশ্বের নানা প্রান্তে ব্যবসা রয়েছে এই গুজরাতির। আর গোয়ার বাসিন্দা রাধা এস টিম্বলো হলেন খনি শিল্পে যুক্ত। আদালতে সরকারের আইনজীবীরা জানান, যথেষ্ট তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গিয়েছে বলেই এঁদের নাম জানানো হল। আগামীদিনে আর যে নামগুলি পাওয়া যাবে, সেইগুলিও জানানো হবে আদালতকে। যদিও যাঁর জনস্বার্থ মামলার ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট কালো টাকা নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল, সেই রাম জেঠমালানি সরকারের এহেন পদক্ষেপে বেজায় চটেছেন। তাঁর দাবি, এত তাড়াহুড়ো করে নাম ঘোষণা করা ঠিক হয়নি। কিছুদিন আগে তিনি কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী অরুণ জেটলিকে চিঠি লিখে অভিযোগ তুলেছিলেন যে, কালো টাকার মালিকদের বাঁচাতে চেষ্টা করা হচ্ছে। অরুণ জেটলিকে অপরাধীদের মদতদাতা হিসাবে বর্ণনা করেছিলেন তিনি। অনেক সত্যই সরকার গোপন করছে বলে অভিযোগ আনা হয় চিঠিতে।
  • জাতীয় বার্তা
  • পশ্চিমবঙ্গ বার্তা
  • খেলার বার্তা


হরিয়ানায় মোট ভোট পড়ল 72 শতাংশ,বেসরকারি মতে মহারাষ্ট্রে ভোট পড়েছে ৬২ শতাংশ। মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানার বিধানসভা নির্বাচনের ভোটগ্রহণ বুধবার শান্তিপূর্ণভাবেই সম্পন্ন হল। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী জানা গেছে, মহারাষ্ট্রে ৬২ শতাংশের মতো এবং হরিয়ানায় ৭২ শতাংশেরও বেশি ভোট পড়েছে। এই দুই রাজ্যের ভোটগণনা আগামী ১৯ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে। ২৮৮ আসন বিশিষ্ট মহারাষ্ট্র বিধানসভার জন্য এবার পঞ্চমুখী লড়াই হচ্ছে। বিজেপি-শিবসেনার ২৫ বছরের জোট, নির্বাচনের ঠিক আগে ভেঙ্গে যাওয়ায়, ওই দুটি দল এবার পৃথকভাবে বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করছে। অন্যদিকে ১৫ বছর ধরে রাজ্য শাসন করার পর কংগ্রেস এবং এনসিপি, উভয়েই এবার আলাদাভাবে বিধানসভা ভোটে লড়াই করছে। এছাড়া, রাজ ঠাকরের নেতৃত্বাধীন এমএনএস-ও এই নির্বাচনী লড়াইয়ে রয়েছে। বিজেপির কাছে এই নির্বাচন খুবই গুরুত্বপূর্ণ । প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী মহারাষ্ট্রে একাধিক নির্বাচনী জনসভায় ভাষণ দিয়েছিলেন। অন্যদিকে কংগ্রেসের প্রচারাভিযানে নেতত্ব দিয়েছিলেন ওই দলের সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। জানা গেছে, কংগ্রেস ওই রাজ্যের ২৮৭টি আসনে প্রার্থী দিয়েছে। অন্যদিকে শিবসেনা ২৮২টি আসনে, এনসিপি ২৭৮, এমএনএস ২১৯ এবং বিজেপি ২৮০টি আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছে। মহারাষ্ট্রে মোট ভোটার রয়েছেন ৮.২৫ কোটি। ৪১১৯ জন প্রার্থী ২৮৮টি আসনের জন্য লড়াই করছেন। এবিষয়ে কংগ্রেস নেতা পৃথ্বীরাজ চৌহান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গত ১৫ বছর ধরে কংগ্রেস এই রাজ্যে যে কাজ করেছে, সেই জন্য আমি আত্মবিশ্বাসী যে মানুষ এই নির্বাচনে কংগ্রেসের পক্ষেই ভোট দেবে। অন্যদিকে হরিয়ানার ৯০টি বিধানসভা আসনের জন্য ১০৯ জন মহিলা সহ মোট ১৩৫১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ওই রাজ্যে মোট ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৬৩ লক্ষ। হরিয়ানায় লড়াই হচ্ছে মূলত ওমপ্রকাশ চৌতালার নেতত্বাধীন আইএনএলডি, কংগ্রেস এবং বিজেপির মধ্যে। এদিন রোহতকে ভোট দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ভূপিন্দার সিং হুড়া। জয়ের বিষয়ে আত্মবিশ্বাস দেখিয়ে হুড়া বলেন, কংগ্রেস ততীয়বারের জন্য হরিয়ানায় সরকার গঠন করবে। অন্যদিকে বিজেপি নেতা জেপি নাড্ডা বলেন, মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানা, এই উভয় রাজ্যেরই প্রবণতা স্পষ্টভাবে বিজেপির পক্ষে রয়েছে।


তপ্ত পাড়ুইয়ে পুলিশকে বোমা, পরস্পরকে দুষছে তৃণমূল-বিজেপি, মৃত তিন সোমবার দফায়-দফায় বোমাবাজি চলল বীরভূমের পাড়ুই থানার অন্তর্গত মাকড়া গ্রামে। ছোড়া হল গুলি। পুলিশ সংঘর্ষ থামাতে গেলে তাদের লক্ষ্য করে বোমা মারা হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের মদতপুষ্ট বহিরাগত দুষ্কৃতীরা গ্রাম দখল করতে এসেছিল। আর শাসক দলের দাবি, বিজেপিই সন্ত্রাস চালিয়েছে। এই সংঘর্ষের ঘটনায় তিনজন নিহত হয়েছে। তাদের নাম তৌসিফ শেখ (১৭), শেখ সুলেমান (২৫) এবং শেখ মোজ্জামেল। তৃণমূল কংগ্রেসের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলের খাসতালুকে কিছুদিন ধরেই উত্তেজনা ছিল। মাকড়া গ্রামে বিজেপির প্রভাব ক্রমশ বাড়তে থাকায় এখানে শাসক দলের গুন্ডারা লোকজনকে শাসাচ্ছিল বলে অভিযোগ। সিপিএম জমানায় যেমন মুখোশপরা দুষ্কৃতীরা গ্রাম দখলে নামত, তেমনভাবেই মাকড়া গ্রামে অভিযান শুরু হয়। জেলার বিজেপি নেতাদের দাবি, বিরোধীদের চিহ্নিত করে শাসায় গুন্ডারা। আমজনতাকে ভয় দেখাতে বোমা ছোড়ে। খবর পেয়ে পুলিশ এলে তাদের উদ্দেশেও বোমা মারা হয়। গৃহস্থ বাড়িতে যথেচ্ছভাবে লুটপাঠ চালানো হয়। বিজেপির জেলা সভাপতি দুধকুমার মণ্ডল বলেন, "এ জন্য তৃণমূলই দায়ী। তারা সংগঠিতভাবে হামলা চালিয়েছে। আমি সকালেই এসপি সাহেবকে বলেছিলাম যে, হামলার ছক কষা হচ্ছে। কিছু করুন। কিন্তু পুলিশ প্রথমে গুরুত্বই দেয়নি। পুলিশকে নিয়ন্ত্রণ করছে শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীরা। তাই তারা পঙ্গু হয়ে পড়েছে।" তৌসিফ শেখ তাদের কর্মী ছিল বলে দাবি করেছে বিজেপি। অন্যদিকে, তৃণমূল পাল্টা কাঠগড়ায় তুলেছে বিজেপিকে। শাসক দলের দাবি, গায়ের জোরে গ্রামে নিজেদের আধিপত্য কায়েম করতে চাইছে বিজেপি। সাধারণ মানুষকে ভয় দেখাতে তারাই বোমাবাজি করেছে। তৃণমূল নেতাদের দাবি, শেখ সুলেমান তাদের সমর্থক ছিল। প্রশ্ন উঠেছে, শেখ সুলেমানের বাড়ি দুবরাজপুরে হওয়া সত্ত্বেও কেন সে সাতসকালে এসেছিল মাকড়া গ্রামে? পরে অনুব্রতবাবু সংবাদমাধ্যমকে বলেন, "যে দুষ্কৃতীরা আগে সিপিএমে ছিল, এখন তারা বিজেপিতে এসেছে। তারাই বাংলায় অশান্তি পাকাচ্ছে। বিজেপি হল দাঙ্গাবাজদের দল। দাঙ্গা বাধানোই ওদের উদ্দেশ্য।" দুষ্কৃতীদের ধরতে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।


বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে পর্দা উঠল আইএসএল-এর বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানের মধ্যে দিয়ে শেষ হল আইএসএল-এর বোধন৷অপেক্ষা মাঠে বল গড়ানোর৷মঞ্চে প্রিয়াঙ্কার পারফরম্যান্সের সবুজ গালিচায় বল পায়ে কেরামতি দেখাতে মুখিয়ে রয়েছেন বিশ্বের তাবড় ফুটবলাররা৷ প্রথমেই সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ও লুই গার্সিয়াকে মঞ্চে ডেকে নিলেন প্রিয়াঙ্কা৷ তারপর একেএকে পরিণীতি চোপড়া, অভিষেক বচ্চন হৃত্বিক রোশনকেও ডেকে নিলেন তিনি৷সচিন তেন্ডুলকর স্টেজে আসতেই গোটা স্টেডিয়াম উঠে দাঁড়িয়ে করতালি দিয়ে সম্মান জানাল তাঁকে৷ফুটবলের মাঠেও পূজিত হলেন ‘ক্রিকেট ঈশ্বর’৷ দর্শক আসনে স্বপরিবারে নীতা আম্বানি, রণবীর কাপুর ও নার্গিস ফাকরি৷ মঞ্চে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া৷সুর ও তালের ছন্দে কাঁপছে সল্টলেক স্টেডিয়াম৷ প্রিয়াঙ্কার অভিনীত একের পর এক হিট ছবির গানে মেতে উঠছে স্টেডিয়াম৷ শুরুই হল ‘তুনে মারি এন্ট্রিয়া’ দিয়ে তারপর বাজল ‘আজ কি রাত হোনা হ্যায় কেয়া’৷কয়েকশো নর্তকীদের তালে মেতে উঠছে যুবভারতীয় গ্যালারি৷ মঞ্চে একঝাঁক কচিকাঁচাদের হাতে ফুটবল৷ সেলিব্রিটিরা এখনও অতিথির চেয়ারে অপেক্ষামান৷ আতসবাজির ঝর্ণায় পর্দা উঠল আইএসএল-এর৷ রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দোপাধ্যায়ের হাত ধরে উদ্বোধন হল ভারতীয় ফুটবলের গ্ল্যামারস লিগ আইএসএল-এর৷সঙ্গে ছিলেন নীতা আম্বানি এবং এআইএফএফ-এর প্রেসিডেন্ট প্রফুল্ল প্যাটেল৷ নির্ধারিত সময়ের ১৫ মিনিট আগেই যুবভারতীর সবুজ গালিচায় পা রাখলেন বিগ বি৷ এসে গেল মাহেন্দ্রক্ষণ৷আর মাত্র কয়েক মুহূর্তের অপেক্ষা৷ তারপরেই পর্দা উঠবে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের৷

হুদহুদ হানায় অন্ধ্র,ওড়িশা লন্ডভন্ড। অপারেশন লেহর-এ জীবনে ফেরার যুদ্ধ শুরু

হুদহুদ হানায় অন্ধ্র,ওড়িশা লন্ডভন্ড। অপারেশন লেহর-এ জীবনে ফেরার যুদ্ধ শুরু

সারদা কেলেঙ্কারি: কলকাতার পাঁচ সংবাদপত্রকে সিবিআই নোটি

সারদা কেলেঙ্কারি: কলকাতার পাঁচ সংবাদপত্রকে সিবিআই নোটি

আইএসএল: বাড়তি বাস চালাবে সরকার

আইএসএল: বাড়তি বাস চালাবে সরকার

মৃত্যুর পরেও জীবনের প্রমাণ মিলল বিশ্বের বৃহত্তম সমীক্ষায়

মৃত্যুর পরেও জীবনের প্রমাণ মিলল বিশ্বের বৃহত্তম সমীক্ষায়

হাশেমের তৈরি তিন পেটি গ্রেনেড কোথায়? সীমান্তে তল্লাশি সিআইডির

হাশেমের তৈরি তিন পেটি গ্রেনেড কোথায়? সীমান্তে তল্লাশি সিআইডির

চার দিনেই ‘ব্যাং ব্যাং’য়ের ঝুলিতে ২০০ কোটি

চার দিনেই ‘ব্যাং ব্যাং’য়ের ঝুলিতে ২০০ কোটি

আইস বাকেটের পর এবার ওয়েক আপ কল নিয়ে মেতেছে ওয়েব বিশ্ব

আইস বাকেটের পর এবার ওয়েক আপ কল নিয়ে মেতেছে ওয়েব বিশ্ব

হুদহুদ গেলেও, আশঙ্কা থাকল নতুন দুর্যোগের
ঝড় থামল৷ কিন্ত্ত আশঙ্কা কাটল না৷ যেকোনও সময় ফের ধেয়ে আসতে পারে হুদহুদ-এর মতোই শক্তিশালী কোনও ঝড়৷ এমনটাই আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিশেষজ্ঞরা৷ আলিপুর আবহাওয়া অফিসের সহ-অধিকর্তা দেবেন্দ্র প্রধান জানিয়েছেন, সাধারণ ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে গেলে সমুদ্রতলের তাপমাত্রা ২৬-২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াসের উপরে হওয়া প্রয়োজন৷ অন্তত ৫০ মিটার গভীরতা পর্যন্ত সেই জল সেই তাপমাত্রায় থাকতে হবে৷ আর এই সময় বঙ্গোপসাগরের তাপমাত্রা এরকমই থাকে৷ এরই সঙ্গে বিশেষ কিছু প্রাকৃতিক পরিস্হিতি যুক্ত হয়ে উদ্ভব হয় ঘূর্ণিঝড়ের৷ বঙ্গোপসাগরে ঘূর্ণিঝড়ের মরসুম মূলত দুটো৷ একটা বর্ষার আগে মে-জুন মাসে৷ অন্যটা বর্ষা বিদায়ের সময়ে৷ অক্টোবর-নভেম্বরে৷ গত বছর মে মাসে বঙ্গোপসাগরে প্রাক বর্ষার পরে একটা ঘূর্ণিঝড় তৈরি হলেও তা মায়ানমারের দিকে চলে যাওয়ায় পশ্চিমবঙ্গ রক্ষা পেয়েছিল৷ আর বর্ষার পরে অক্টোবর-নভেম্বরে বঙ্গোপসাগরে যে চারটি ঘূর্ণিঝড় দানা বাধে, তার মধ্যে স্হলভূমিতে আঘাত করেছিল মাত্র একটা৷ গত বছর ১২ অক্টোবর ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়েছিল ঘূর্ণিঝড় ফাইলিন৷ অন্য তিনটির (মাদি, লেহর ও হেলেন)-এর শক্তি ক্ষয় হয়েছিল সমুদ্রেই৷ এ বছর বর্ষার আগে কোনও ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি৷ সেই হিসাবে চলতি বছর হুদহুদ-ই সৃষ্ট প্রথম ঘূর্ণিঝড়৷ আবহাওয়া বিশেষজ্ঞদের ব্যাখ্যা, এর আগে সমুদ্রের তাপমাত্রা বাড়লেও পরিস্হিতি অনুকূল ছিল না৷ তাই ঘূর্ণিঝড় তৈরি হয়নি৷ এদিকে বঙ্গেপসাগরে ঘূর্ণিঝড় হুদহুদ-এর প্রভাবে দক্ষিণবঙ্গে বর্ষার বিদায় কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে বলেই আশঙ্কা করছে হাওয়া অফিস৷ এমনিতেই নিয়ম মানলে এতদিনে দেশের মধ্য ও উত্তর ভাগ থেকে বর্ষা পুরোপুরি বিদায় নেওয়ার কথা৷ সেই মতো আগামী ১০ অক্টোবরের মধ্যেই রাজ্যে বর্ষার পাততাড়ি গোটানোর কথা ছিল কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে৷ কিন্ত্ত বিদায়পর্ব এখনই হবে না৷ বরং যতদিন ঘূর্ণিঝড়ের রেশ থাকবে, ততদিন জাঁকিয়ে বর্ষা থাকবে বলেই রবিবার জানিয়েছেন হাওয়া অফিসের অধিকর্তা গোকুলচন্দ্র দেবনাথ৷ তারপর অনুকূল পরিস্হিতি তৈরি হলে তবেই আসবে দক্ষিণ-পশ্চিম মৌসুমি বায়ুর বিদায় নেওয়ার পালা৷ পাশাপাশি শীতের আমেজ পেতেই বঙ্গবাসীকে বেশ কিছুদিন অপেক্ষা করতে হবে বলেই মনে করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা৷ কারণ, বাতাসে জলীয় বাষ্পের আধিক্য থাকলে বাধা পাবে উত্তুরে হাওয়া৷

See the News Update


ভারতের গুলিতে নিহত ১২: পাকিস্তান


ভারতের গুলিতে নিহত ১২: পাকিস্তান

বিস্তারিত ....


রিলায়েন্সের ডিরেক্টর পদে আম্বানির যমজ ছেলে-মেয়ে


রিলায়েন্সের ডিরেক্টর পদে আম্বানির যমজ ছেলে-মেয়ে

বিস্তারিত ....


টাকা না দিলে কাজ বন্ধ, দলে মাতব্বরি করছে ফড়িংরা, বিস্ফোরণ শিশিরের


তৃণমূল কংগ্রেসের লোকজনকে টাকা না দিলে এ রাজ্যে বন্ধ করে দেওয়া হয় উন্নয়নের কাজ। প্রতিটা কাজের ক্ষেত্রে পার্সেন্টেজ ধরা থাকে। নীচু থেকে ওপরতলা, সব জায়গাতে এমন লোক রয়েছে। বক্তা সিপিএম, বিজেপি বা কংগ্রেসের কেউ নয়। চাঁছাছোলা ভাষায় তোপ দেগে সবাইকে তাজ্জব করে দিলেন শাসক দলেরই সাংসদ শিশির অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুরে একটি সভায় এমন মন্তব্য করেছেন তিনি। পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় তৃণমূল কংগ্রেস আর শিশির-শুভেন্দু সমার্থক। কাঁথির সাংসদ শিশির অধিকারী আর তমলুকের সাংসদ শুভেন্দু অধিকারীই দলের স্তম্ভ। কিন্তু দলে মুকুল রায়ের জায়গা পোক্ত করতে আস্তে আস্তে কোণঠাসা করা হয়েছিল শিশিরবাবুকে। এর পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে তুলে ধরতে শুরু করলেন। চনমনে তরুণ শুভেন্দু অধিকারীর ডানা ছাঁটা শুরু হল। শিশির-শুভেন্দু শিবিরের চরম বিরোধী তথা জেলার আর এক তৃণমূল নেতা অখিল গিরিকে মদত জোগানো হয়েছে। এখন তৃণমূলের যুব সংগঠনে অপ্রাসঙ্গিক করে দেওয়া হয়েছে শুভেন্দুবাবুকে। প্রথমে নিজের অপমান, পরে ছেলের অপমান। এর জেরে ক্ষুব্ধ শিশির অধিকারী শেষ পর্যন্ত ধৈর্য হারিয়ে মুখ খুললেন বলে মনে করা হচ্ছে। শিশিরবাবু বলেছেন, "যা দেখছি, অবাক হয়ে যাচ্ছি। যেখানে উন্নয়নের কাজ শুরু হচ্ছে, সেখানেই আমাদের দলের লোকজন গিয়ে টাকা চাইছে। তোলা না দিলে কাজ বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। পুকুর কাটা, পুল তৈরি, রাস্তা তৈরি সব ক্ষেত্রে পার্সেন্টেজ ধরা থাকছে। নীচ থেকে ওপরতলা, সর্বত্র এমন লোক রয়েছে। শুধু পঞ্চায়েত স্তরে এ সব চলছে ভাবলে ভুল হবে। সাংসদ-বিধায়করা সাধু নাকি? শহর থেকে কিছু ফড়িং এসে গ্রামে মাতব্বরি করছে।"

বিস্তারিত ....


কাল ঝাড়গ্রামে পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে প্রশাসনিক বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর


বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার সময় ঝাড়গ্রাম শহরের কদমকানন এলাকায় ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপারের কার্য্যালয়ের মিটিং হলে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া ও পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার অধীন জঙ্গলমহলের ২৩টি ব্লকের উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজ খতিয়ে দেখবেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এই প্রশাসনিক বৈঠক চলবে ১২টা থেকে বেলা আড়াইটে পর্যন্ত বলে জানাগিয়েছে। প্রশাসনিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন রাজ্যের অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র, পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়, শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়, সেচমন্ত্রী রাজীব ব্যানার্জি, পুরমন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম, পশ্চিমাঞ্চল উন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী ডাঃ সুকুমার হাঁসদা। এছাড়াও থাকবেন ওইসব দফতর সহ মোট ৩০টি দফতরের প্রধান সচিবরা। স্থানীয় সংসদ ও বিধায়করাও উপস্থিত থাকবেন। উপস্থিত থাকবেন জঙ্গলমহলের ২৩টি ব্লকের বিডিও, ওই এলাকার মহকুমা শাসক, তিন জেলার জেলাশাসক, পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন দফতরের আধিকারিকরা। মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার পর জঙ্গলমহলে একাধিকবার এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগেও ঝাড়গ্রামের পুলিশ সুপারের কার্য্যালয়ে একবার প্রশাসনিক বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে এবারের প্রশাসনিক বৈঠক সম্পূর্ণ আলাদা। খাতায়-কলমে জঙ্গলমহলে ভালো কাজ হয়েছে বলে রিপোর্ট। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উন্নয়নমূলক প্রকল্পের কাজের বাস্তব ছবিটা যাচাই করে দেখতে চান। মাওবাদী সমস্যা সমাধান থেকে স্বাস্থ্য, শিক্ষা, রাস্তাঘাট, পানীয় জল, সামাজিক, অর্থনৈতিক উন্নয়নের কাজে জোর দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যার ফলও তিনি পেয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী জঙ্গলমহলের উন্নয়নে কোনও ত্রুটি রাখতে চান না। তাই তাঁর প্রতিশ্রুতি মতো নয়াগ্রাম, লালগড় ও শালবনিতে নতুন সরকারি কলেজ তৈরি হয়েছে, পঠনপাঠনও শুরু হয়েছে। আরও কয়েকটি কলেজ তৈরির কাজ চলছে। জঙ্গলমহলে শান্তি ফিরে এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে। তাই সেই শান্তি প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখতে মুখ্যমন্ত্রী উন্নয়নের ডালি নিয়ে একাধিকবার জঙ্গলমহলে এসেছেন। যা এর আগে রাজ্যের কোনও মুখ্যমন্ত্রী আসেননি। সেইজন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের আজকের প্রশাসনিক বৈঠকের দিকে তাকিয়ে রয়েছেন তিন জেলার জঙ্গলমহলের বাসিন্দারা।

বিস্তারিত ....


উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বইকে ৩-০ হারাল কলকাতা


উদ্বোধনী ম্যাচে মুম্বইকে ৩-০ হারাল কলকাতা

বিস্তারিত ....


যুবভারতীতে তারকার সমাবেশ


যুবভারতীতে তারকার সমাবেশ

বিস্তারিত ....


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফের ইবোলার থাবা


মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে ফের ইবোলার থাবা

বিস্তারিত ....


বিশ্বে এবোলায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৪ হাজার: রাষ্ট্রসংঘ


বিশ্বে এবোলায় মৃতের সংখ্যা ছাড়াল ৪ হাজার: রাষ্ট্রসংঘ

বিস্তারিত ....


চোরাপথে সীমান্ত পেরিয়ে ঢোকায় ১৯ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার


চোরাপথে সীমান্ত পেরিয়ে ঢোকায় ১৯ জন বাংলাদেশিকে গ্রেফতার

বিস্তারিত ....


বিস্ফোরণের জের: পাকাপাকি অফিস খুলছে এনআইএ


বিস্ফোরণের জের: পাকাপাকি অফিস খুলছে এনআইএ

বিস্তারিত ....


তেলের দামেই গাড়ির বাজারে নয়া সমীকরণ

pages/projukti/projukti_183.jpg

বিস্তারিত ....


চার দিনেই ‘ব্যাং ব্যাং’য়ের ঝুলিতে ২০০ কোটি


চার দিনেই ‘ব্যাং ব্যাং’য়ের ঝুলিতে ২০০ কোটি

বিস্তারিত ....


রূপান্তরকামী প্রেমিকাকে খুন করে রান্না করল শেফ প্রেমিক


রূপান্তরকামী প্রেমিকাকে খুন করে রান্না করল শেফ প্রেমিক

বিস্তারিত ....


অভিনেত্রী কেলি ব্রুকের নগ্ন সেলফি ফাঁস


অভিনেত্রী কেলি ব্রুকের নগ্ন সেলফি ফাঁস

বিস্তারিত ....



ইংরাজিতে কথা বলা টিয়া ৪ বছর পর ফিরল স্প্যানিশ ভাষা শিখে
ব্রিটেনের জনৈক ব্যক্তির কাছে একটি কথা বলা টিয়া পাখি ছিল। তার বিশেষত্ব ছিল যে সে একেবারে ব্রিটিশ উচ্চারণে ফড়ফড় করে ইংরাজি আওড়াতে পারত। ৪ বছর আগে আচমকাই নিখোঁজ হয়ে যায় সেই কথা বলা টিয়াটি। কিন্তু আবার একদিন মনিবের কাছেই ফিরে এল সে। কিন্তু এ কি এ যে এখন স্প্যানিশ ভাষায় কথা বলে! টেলিগ্রাফে প্রকাশিত একটি খবর অনুযায়ী, নাইজেল নামের ওই টিয়া পাখিকে দক্ষিণ ক্যালিোর্নিয়ায় এক বয়জ্যেষ্ঠ ব্য়ক্তি খুঁজে পান। তিনি ভাবেন এটা বুঝি তাঁর হারিয়ে যাওয়া পোষা টিয়া। কিন্তু নাইজেলের গলায় মাইক্রোচিপকে ট্র্যাক করে জানতে পারা যায় ব্রিটেনের সেই ব্যক্তি যার নাম ড্যারেন চিক এবং টরেন্সে থাকেন তিনি। আসলে নাইজেল তাঁরই পোষ্য। এরপরই ওই ব্যক্তি ড্যারেনকে করে জানতে চান তার কোনও টিয়া পাখি হারিয়েছে কি না। ড্যারেনও জানায় হ্যাঁ। ব্যাস আর কী পাক্কা চার বছর পর ড্যারেন আবার ফিরে পেল সাধের টিয়া নাইজেলকে। কিন্তু না এই মিলন খুব একটা সুখকর ছিল না। গল্পে টুইস্ট। চার বছর আলাদা থাকার পর ড্যারেনকে চিন্তেই পারছিল না নাইজেল। এমনকী ড্যারেন যখন তাঁকে ধরতে গেল অমনি রেগে গিয়ে ড্যারেনের হাতে কামড়েও দেয় নাইজেল। এই চার বছর নাইজেল কোথায় ছিল জানে না কেউ। কিন্তু ইংরাজিতে সড়গড় টিয়ে কথা বলছে স্প্যানিশে। আর মাঝে মাঝেই ল্যারি বলে কাউকে ডাকছে, আক্ষেপ ড্যারেনের।

Powered By Art Is Life