বাবা-শ্বশুর দ্বন্দ্বে ৪ বছর মর্গে লিপা রাণী লাশ মুসলিম রীতিতে দাফনের নির্দেশ

চার বছর আগে আত্মহত্যা করার পর থেকে হিমঘরেই আছে লিপা রাণী থেকে ধর্মান্তরিত হওয়া হোসনে আরার মরদেহ। কোন্ ধর্মমতে তার লাশের সৎকার হবে, তা নিয়ে দ্বন্দ্ব ছিল বাবা এবং শ্বশুর এই দুই পরিবারে। কেউই ছাড় দিতে রাজি ছিলেন না।

২০১৩ সালের অক্টোবরে নীলফামারীর ডোমার উপজেলার লিপা রাণী এবং পাশের গ্রামের হুমায়ন ফরিদ লাইজু পালিয়ে বিয়ে করে। মেয়েটি সে সময় ধর্মান্তরিত হয়।

কিন্তু মেয়ের বাবা ছেলেটি এবং তার পরিবারের বিরুদ্ধে অপহরণ মামলা করে।

কিন্তু সেসময় স্বামী-স্ত্রীর পরিচয়ের কাগজপত্রসহ আদালতে হাজির করে জবানবন্দি দিয়েছিলেন লিপা এবং লাইজু দুইজন। এরপর আদালত অপহরণ মামলাটি খারিজ করে দেয়।

এরপর মেয়ের বাবা মেয়েকে অপ্রাপ্ত বয়স্ক দাবি করে আপিল করে। তখন আদালত আবেদন আমলে নিয়ে মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য রাজশাহী সেফ হোমে পাঠিয়ে দেয়।

এ পর্যায়ে ২০১৪ সালের ১৫ই জানুয়ারি লাইজু বিষ খেয়ে আত্মহত্যা করে।

তিন মাস পরে ২০১৪ সালের ১০ই মার্চ আত্মহত্যা করে মেয়েটিও।

 

এই বিরোধের জের ধরে চার বছর হিমঘরে কাটানোর পর আজ মেয়েটির লাশ ইসলাম ধর্মমতে দাফনের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

You May Also Like

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *